
মৃত্যু হল জীবনের সব থেকে নির্মম একটি সত্য। মৃত্যু হল মানুষের জীবনের এমন এক কঠিন বাস্তব যা অবধারিত। প্রিয়জন পুত্রস্বজনের বিয়োগজনিত ব্যথার থেকে বড় শোক বোধহয় আর কিছুই হয় না।
আমরা সকলেই জানি যে মৃত্যু জীবনের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ তবুও কিছু কিছু মৃত্যু, কাছের মানুষ চিরবিদায় নেওয়ার পর যে শূন্যতা গ্রাস করে , তার ভার স্বাভাবিকভাবে বহন করার শক্তি খুব কম মানুষেরই থাকে।
মৃত্যু মানুষকে গ্রাস করবেই চলে যেতেই হবে এই পার্থিব জগতের মোহ কাটিয়ে না ফেরার দেশে কিন্তু এমন সরল প্রানের চলে যাওয়া পুত্রস্বজনদের জন্য কঠিন বেদনার। মানুষ এই ক্ষনস্থায়ী ধরণীতে এসেই আভিজাত্য ধনসম্পদ বহুল রাজনীতিতে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন কিন্তু কয়ড়ার নুর মুহাম্মদ রাজনীতি বুঝতেন না, হিংসা-বিদ্বেষ বুঝতেন না, বুঝতেন না সমলোচনা, বুঝতেন না বিরোধ অমিল দাংগা। নিতান্ত সহজ সরল জীবনযাপন করতেন তিনি। তিনি পেশায় একজন কৃষক হিসাবে শস্যক্ষেত্র উর্বরতার মতই তার প্রান ছিল উর্বর বালিপলি মাটির মতই শান্তশীতল।
গ্রামের আর দশজনের চেয়ে অধিক সহজসরল সাধারণ জীবনযাপন করতেন তিনি। ধানক্ষেতের উর্বর ফসল আর সন্তানদের মুখের হাসি দেখেই ভাল থাকতেন তিনি। নুর মুহাম্মদ আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ হৃদয়ের ফুফাতো ভাই এবং গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বর প্রার্থী মুসলিম উদ্দিনের বড় ভাই। হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতার জন্য জিয়া মেডিকেলে ভর্তি হন। শুক্রবার দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। ঐইদিন রাত্রি ৮ ঘটিকায় নিজ বাসভনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাধি দেন স্বজনরা। সকলের শ্রদ্ধার নুর মুহাম্মদ এর মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার এমন মৃত্যুতে গভীর বেদনায় ব্যাথাতুর হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। তারপুত্র মোঃ রিপন বাবার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনায় সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।